fbpx
Thu.- Tue. (10.00 – 18:00) Wednesday CLOSED
      Customer

Login

Sign Up

After creating an account, you'll be able to track your payment status, track the confirmation and you can also rate the tour after you finished the tour.
Username*
Password*
Confirm Password*
First Name*
Last Name*
Email*
Phone*
Country*
* Creating an account means you're okay with our Terms of Service and Privacy Statement.

Already a member?

Login
Thu.- Tue. (10.00 – 18:00) Wednesday CLOSED
      Customer

Login

Sign Up

After creating an account, you'll be able to track your payment status, track the confirmation and you can also rate the tour after you finished the tour.
Username*
Password*
Confirm Password*
First Name*
Last Name*
Email*
Phone*
Country*
* Creating an account means you're okay with our Terms of Service and Privacy Statement.

Already a member?

Login

ফ্লাইটে চড়ার আগে কিছু টিপস এবং ট্রিকস

Biman image

১। পাসপোর্ট এবং ভিসা ডাবল চেক করুন

বিদেশে ভ্রমণের এক বা দু মাস আগে থেকেই আপনার পাসপোর্ট এবং ভিসার মেয়াদ ভালোভাবে কয়েকবার চেক করে নিন। যদি শর্তানুযায়ী নতুন করে আবেদন করতে হয়, তাহলে আবেদন প্রক্রিয়া শেষে আবার হাতে পেতে নূন্যতম কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যাবে। জরুরী ভিত্তিতে পাসপোর্ট করতেও ৩ সপ্তাহ সময় লাগবে এবং সাথে অতিরিক্ত অর্থও খরচ করতে হবে। আগে থেকেই যাচাই করে রাখলে পরবর্তীতে ভুল হলেও সংশোধন করার জন্য হাতে সময় পাবেন।

২। এয়ারলাইনের অ্যাপ ব্যবহার করুন

আপনি সুটকেস বহন না করে থাকলে চেক-ইন ডেস্কে দাঁড়িয়ে থাকা বা বিমানবন্দরের ফিঙ্গারপ্রিন্টের মুখোমুখি হওয়ার দরকার নেই। আগেই বিমান সংস্থার অ্যাপটি ডাউনলোড করুন, আপনার রিজার্ভেশনের তথ্যাদি নিশ্চিত করুন, তারপরে এটিকেই চেক-ইন করতে ব্যবহার করুন।

তারপর বিমানবন্দরে পৌঁছেই আপনি সরাসরি সিকিউরিটিতে চলে যাবেন। ডেল্টা  অ্যাপ্লিকেশনটি ২৪ ঘণ্টা পূর্বেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ফ্লাইট চেক করবে। আলাস্কা এবং সাউদওয়েস্টের মতো অনেক এয়ারলাইন্স এখন তাদের অ্যাপ্লিকেশনগুলো দিয়ে যাত্রীদের ব্যক্তিগত ডিভাইসে ফ্রি অনবোর্ড বিনোদনের অফার করে, যাতে তাদের অ্যাপসগুলো যাত্রীদের মোবাইলে কোনো না কোনোভাবে রাখতেই হয়।

৩। বিকল্প এয়ারক্রাপ্ট চেক করুন

একটি নির্দিষ্ট এয়ারলাইন জেট বহরের অভ্যন্তরে সুযোগ সুবিধা একটি থেকে আরেকটির বিশাল ব্যবধান থাকতে পারে। এমনকি এই পার্থক্যটা প্লেন থেকে প্ল্যানেও হতে পারে। ফ্লাইট বুকিং দেয়ার পূর্বে ঐ রুটের সব ফ্লাইটের সুযোগ সুবিধা, যেমন কোন বিমানের আসনের সম্মুখে পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে, ওয়াইফাই সুবিধাসহ অন্যান্য সুবিধা রয়েছে কিনা সেগুলো যাচাই করে নিন।

এয়ারলাইন ঠিক করার পর ওদের ওয়েবসাইটে গিয়ে এয়ারক্রাফটের ধরণ, সিট ডায়াগ্রাম দেখে বুঝে নিন আপনার পছন্দ মোতাবেক সকল সুযোগ সুবিধা এখানে পাচ্ছেন কিনা।

৪। আপনার আসন বিন্যাস মূল্যায়ন করুন

আপনি উইন্ডো অথবা ডোর সাইড আসন যাই চান না কেনো, সিট গুরুর সাইটে গিয়ে আপনার আসন বিন্যাস ভালোভাবে দেখে বুঝে নিন যেনো আপনার কাঙ্ক্ষিত আসনটি রান্নাঘর বা টয়লেটের পাশে না হয়। তাহলে  সারাক্ষণ ওখানকার শব্দ এবং ঘ্রাণের মধ্যেই পুরো সময়টা বিরক্তির মধ্যে কাটাতে হবে।

৫। সবকিছু গুছিয়ে রাখুন

আপনার ফ্লাইট সংক্রান্ত সকল তথ্য এক জায়গায় গুছিয়ে রাখতে Air or TripIt অ্যাপস দুটি ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও আপনার ফ্লাইট স্ট্যাটাস, চেক ইনের সময়, গেইট নাম্বার, নিকটবর্তী লাউঞ্জের লোকেশন সব কিছুর বিবরণ পাবেন অ্যাপস দুটিতে এবং ফ্লাইটের শিডিউল সম্পর্কেও আপনাকে আপডেট রাখবে।

৬। রিয়েল-টাইম প্রতিবেদনগুলি পরীক্ষা করুন

সাধারণত এয়ারলাইনের ডিভাইসগুলোও একদম শেষ মুহূর্তে গিয়ে উপলব্ধি করতে পারে যে কখন ভুলটা হয়েছে।

আর তাই তাৎক্ষনিক বিপদ সম্পর্কে জানতে ফ্লাইটের পরিসংখ্যান থেকে শুরু করে বর্তমান অবস্থা, অন টাইম পারফর্মেন্স, আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং আপনার টিকেট বুক করা বিমানটির খবরাখবর রয়েছে রিয়েল টাইম রিপোর্টে। যদি কোনো কারণে আপনার ফ্লাইটের বিলম্ব হয় তাহলে সেটা প্রত্যক্ষ করে কোম্পানির কাছে রি-বুকের সুপারিশ করতে পারবেন দ্রুতই।

৭। পাবলিক ট্রান্সপোর্টেশন সম্পর্কে জানুন।

ফ্লাইট থেকে নেমে জেট ল্যাগে আক্রান্ত হয়ে সাথে সাথেই রুমে গিয়ে বিশ্রাম নেয়া ভালো। ফ্লাইটের কিছুদিন আগ হতেই গন্তব্যের গন-পরিবহন সম্পর্কে জেনে নিন। এয়ারপোর্ট থেকে কোন রুটে ফিরবেন, কত খরচ পড়বে, রাতে ভ্রমণের সময়সূচী এগুলো জেনে গেলে উপকৃত হবেন।

৮। তরল জিনিস বহন সংক্রান্ত নিয়ম

আপনি টিএসএ চেকপয়েন্টগুলির মাধ্যমে বহনকৃত কোন প্রকার তরল জাতীয় দ্রব্যের পরিমাণ ৩ দশমিক ৪ আউন্স (১০০মিলিলিটার) এবং স্বচ্ছ ব্যাগের এক চতুর্থাংশের বেশি হওয়া যাবে না।

৯। লাগেজ বহন সংক্রান্ত নিয়ম

বেশিরভাগ এয়ারলাইনস কোম্পানির লাগেজ বহনের নির্দিষ্ট ওজন সীমা নির্ধারণ করে দেয়া আছে। বাড়তি আয়ের উৎস হিসেবে, গেটে থাকা তীক্ষ্ম চোখের এজেন্টদের দ্বারা এটি কঠোরভাবে মেনে চলে তারা। বাড়িতে থাকাকালীন সময়েই   আপনার ব্যাগের পরিমাপ ভালো করে মেপে নিন এবং বিমান কোম্পানির নির্দিষ্ট ওজন সীমায় যেনো তা থাকে।

১০। গ্যাজেটগুলি গুছিয়ে নিন

টেলিফোন,ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, ক্যামেরা, স্পেয়ার লোডার, কর্ড পাওয়ার এসব গ্যাজেট এবং ক্যাবলগুলো চেক করা যাত্রার পূর্বে অবশ্যই কর্তব্যের একটি। এখন যাত্রীরা আগের চেয়ে বেশি ইলেকট্রনিকস পণ্য নিয়ে ভ্রমণ করে থাকে। সৌভাগ্যক্রমে বর্তমানে গ্যালোর অর্গানাইজার কেইস রয়েছে যা আপনার ডিভাইস এবং ক্যাবল গুলোর সুরক্ষার পাশাপাশি সেগুলোকে সিকিউরিটি স্ক্রিনিং-এর জন্য প্রস্তুত রাখে।

১১। ব্যাটারি খুলে রাখুন

বিমানে আগুন লাগার ঝুঁকি রোধ করতে ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে বিমান কোম্পানিগুলো স্মার্ট লাগেজ ব্যাটারি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। আপনার ব্যাগে যদি কোনো ব্যাটারি প্যাক থাকে, তবে সেটি যেনো সহজেই খুলে রাখা যায় সেটি নিশ্চিত করুন।

অনেক এয়ারলাইন্সে ব্যাটারি প্যাক সহজেই আলাদা করা যায় যন্ত্রপাতি ছাড়া এমন ব্যাগ বৈধ রয়েছে। তবে অযথা ব্যাটারি প্যাকটি বাসায় রেখে যাবেন না, কেননা আপনার বিমানের সিটের পাওয়ার পোর্টটা সব সময় কাজ করবে এমন কোন গ্যারান্টি নেই।

১২। প্লেনের জন্য সাথে কিছু খাবার রাখুন

বিমান ভ্রমণে গিয়ে লাউঞ্জে বা বাহিরে খাওয়া খুবই ব্যয়বহুল। ফ্লাইটের মাঝে খাওয়ার জন্য কিছু খাবার বা স্ন্যাক্স যা সহজে বহন করা যায় এমন খাবার সাথে রাখতে পারেন। এটি আপনার অনেক টাকা বাঁচাবে।

১৩। আরামদায়ক পোশাক

এয়ারপ্ল্যানের কেবিনের তাপমাত্রা যেনো আইস বক্স এবং টোস্টারের মাঝেই যেনো উঠানামা করে। এক্ষেত্রে এই সেটিংস পরিবর্তনেরও যেমন কোন নিয়ম নেই। তাই যেকোন পরিস্থিতির জন্য কয়েক স্তরের হালকা জামা পরিধান করুন এবং ট্রেন্ডি থাকার চেষ্টা করুন।

১৪। নেক পিলোর ব্যবস্থা করুন

বিমান কোম্পানিগুলোও বাসের মতো আরো বেশি সংখ্যক আসন করার দিকেই যেখানে নজর দিচ্ছে এবং সিটগুলো ও অনেক বেশি সংকুচিত। বিমানের সিটে সরবরাহকৃত ট্র্যাভেল পিলো ও কখনই তেমন ভালো ছিলো না। তাই জার্নিকে আরামদায়ক করতে সাথে ভালো দেখে নেক পিলো বহন করুণ ।

১৫। পানির জন্য নিজের আলাদা বোতল ব্যবহার করুণ

ভ্রমণে বাহির থেকে একবার ব্যবহার যোগ্য বোতল কেনার চাইতে নিজের জন্য আলাদা খালি বোতল বহন করুন। এটি খরচ ও বাঁচাবে, ওজন কমাতেও সহায়তা করবে। যাত্রীদের সুবিধার জন্য অনেক এয়ারপোর্টেই এখন পানি ফিলিং ব্যবস্থা রয়েছে।

১৬। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র আপনার ক্যারি অন ব্যাগটিতে গুছিয়ে নিন। যাত্রার পূর্বে যদিও অনেক বিভ্রান্তি কাজ করে তাই আগের রাতেই সব গুছিয়ে নিতে পারেন। পাসপোর্ট, আইডি কার্ড, বিমানের টিকিট, হোটেল বুকিং কপি এবং নিকটবর্তী দূতাবাস বা কনস্যুলেটের ঠিকানাসহ সব ডোকুমেন্টস গুছিয়ে রাখুন।

Leave a Reply