fbpx
Thu.- Tue. (10.00 – 18:00) Wednesday CLOSED
      Customer

Login

Sign Up

After creating an account, you'll be able to track your payment status, track the confirmation and you can also rate the tour after you finished the tour.
Username*
Password*
Confirm Password*
First Name*
Last Name*
Email*
Phone*
Country*
* Creating an account means you're okay with our Terms of Service and Privacy Statement.

Already a member?

Login
Thu.- Tue. (10.00 – 18:00) Wednesday CLOSED
      Customer

Login

Sign Up

After creating an account, you'll be able to track your payment status, track the confirmation and you can also rate the tour after you finished the tour.
Username*
Password*
Confirm Password*
First Name*
Last Name*
Email*
Phone*
Country*
* Creating an account means you're okay with our Terms of Service and Privacy Statement.

Already a member?

Login

যেকোনো দেশে ভ্রমণ ভিসা পেতে প্রয়োজনীয় তথ্য

Travel Visa

ভিসা প্রক্রিয়াকরণ একটি জটিল এবং মানসিক চাপের বিষয়। যদিও কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে অভিযুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত এটি আপনার ভ্রমণে বাঁধা হয়ে আসবে না। নিচে আলোচিত ৭টি পরামর্শ আপনাকে আজারবাইজান, জাম্বিয়া কিংবা এর মধ্যবর্তী যেকোনো দেশে ভ্রমণ ভিসা পেতে সহায়তা করবে। চলুন জেনে নেয়া যাক এই ৭টি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত।

১.  ভিসা প্রয়োজন কিনা সেটা নিশ্চিত করুন

কোনো দেশ ভ্রমণে প্রথমে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে আপনার ভিসা লাগবে কি লাগবে না সেই বিষয়টা। কেননা অনেক দেশে কাজ করতে এবং পড়াশুনার জন্য যেতে চাইলে ভিসা প্রয়োজন হয়, ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভিসা না হলেও চলে।

আর এই সমস্যা সমাধানে আপনি যে দেশে ভ্রমণ করতে চান সেই দেশের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে তথ্য জেনে নিতে পারেন। এছাড়াও কোনো বিষয়ে যদি বুঝতে অসুবিধা হয় তাহলে ঐ দেশের দূতাবাসে গিয়ে অথবা ফোন করে খবর নিতে পারেন।

২. কোন প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করবেন সিদ্ধান্ত নিন

এই পর্যায়ে এসে ভিসা আবেদনের জন্য আপনি কোন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবেন সেটা নির্ধারণ করে নিন। সাধারণত বড় শহরগুলো ব্যতীত কোনো দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সাথে সহজে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় না। বিদেশী সরকারগুলো ভিসা আবেদন গ্রহণ বিভিন্ন ভাবেই করে থাকে।

আর তা হতে পারে মেইল যোগাযোগের মধ্য দিয়ে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রেরণ করে কিংবা কোনো নির্ধারিত ব্যক্তি বা সংস্থার সাথে যোগাযোগ করে। তবে যেভাবেই ভিসার আবেদন করবেন, অবশ্যই দুই দেশের ট্রানজিট সময়টার কথা বিবেচনায় রাখবেন।

৩. পূর্বেই আবেদনপত্র প্রিন্ট এবং পূরণ করে রাখুন

যদি নিজে নিজেই ভিসার আবেদন করতে চান, এক্ষেত্রে আগে থেকেই আবেদন পত্রটি প্রিন্ট করে পূরণ করে রাখবেন। এতে নির্ভুলভাবে আবেদন পত্রটি পূরণ করতে অনেক সময় পাবেন এবং ভুল হবার সম্ভাবনা কমে আসবে।

৪. বিমান ও হোটেল সংরক্ষণ করুন

মাঝেমধ্যে ভিসা গাইডলাইনে রাউন্ড ট্রিপের টিকেট এবং হোটেল বুকিং-এর আবেদনের ডকুযেকোনো দেশে ভ্রমেন্টস চেয়ে থাকে। দেশ-বেধে যদিও এই নিয়মগুলোতে নমনীয়তা থাকে, তবে আগে থেকেই এসব জেনে নিয়ে প্রস্তুত থাকা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

৫. অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ করুন

কিছু কনস্যুলেট এবং দূতাবাসগুলিতে ফ্লাইট টিকেট, হোটেল বুকিং এর ডিটেইলস এবং চিকিৎসা বীমা ব্যতীত অতিরিক্ত কাগজপত্রও চেয়ে থাকে। যেমন : বুয়েনস আয়ার্স ভ্রমণে আর্জেন্টিনার ভিসার জন্য ব্যাংক প্রফিট্যাবিলিটি সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। ভিসার জন্য আবেদন করার সময় এই ধরণের ডকুমেন্টগুলো খুব প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে, কেননা এটি আপনার ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যানের সম্ভাবনাকে হ্রাস করবে।

৬. ডাবল (এবং ত্রিপল!) চেক

ভিসা ফর্মে থাকা সতর্কতাগুলো মাঝেমধ্যে অযৌক্তিকভাবে কঠোর হতে পারে। তবে ভুল এড়াতে একটি চেক লিস্ট তৈরি করুন এবং বারবার চেক করে নিন সবগুলো ডকুমেন্ট এবং তথ্য ঠিক আছে কিনা।

৭. কনস্যুলার কর্মীদের কাছ থেকে নিশ্চিত সবকিছুর ঠিক আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন ভিসার আবেদনের জন্য সবকিছু দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের মধ্য দিয়ে হয়ে থাকে। এজেন্সির কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ই-মেইল ঠিক আছে কিনা নিরীক্ষণের মধ্য দিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।

এটি আপনার ভিসা আবেদন গ্রহণের ব্যাপারে আপনাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। যদিও সকল দেশের ভিসা কর্তৃপক্ষ আপনার আবেদন পত্রটি কি কারণে গ্রহণ করা হয়নি, সেটা ব্যাখ্যা করবে না, তাই সবকিছু পর্যবেক্ষণ করা এবং মানসিক প্রশান্তি অবশ্যই জরুরী

Leave a Reply